Previous
Next

সর্বশেষ

নবীগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

নবীগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে হোসাইন আহমেদ (২৬) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর পরিবারের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৩ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হোসাইন আহমেদ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গজনাইপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ছাত্রদলের সদস্য।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিচয়ের সূত্র ধরে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীকে উত্যক্ত করে আসছিলেন অভিযুক্ত। গত সোমবার গভীর রাতে তিনি ভুক্তভোগীর ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দায়েরকৃত মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

হবিগঞ্জে আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত প্রায় ৫০

হবিগঞ্জে আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত প্রায় ৫০

হবিগঞ্জে আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিলের মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী পুরুষ মিলে অন্তত অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন। 

বুধবার (৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কাশিপুর গ্রামে দুই দল যুবকের মধ্যে আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল প্রীতিম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২-০ গোলে হেরে গেলে ধারাভাষ্যকার মাইকে ঘোষণা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। কিন্তু, বুধবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন আবারও তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

প্রায় ঘণ্টা ব্যাপী এ সংঘর্ষে আহতদেরকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। 

খোয়াই নদীর তীরের গাছ উজাড়, হুমকির মুখে শহর রক্ষা বাঁধ

খোয়াই নদীর তীরের গাছ উজাড়, হুমকির মুখে শহর রক্ষা বাঁধ

হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে খোয়াই নদীর হরিপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গাছ কর্তনের কারণে বাঁধের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের সময় বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়লে আকস্মিক বন্যায় হবিগঞ্জ শহর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রজেক্টের আওতায় খোয়াই নদীর মাছুলিয়া সেতু থেকে উমেদনগর সেতু পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধ উন্নয়ন ও উঁচুকরণের কাজ চলছে। বাঁধের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে মাটি ভরাট করে উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে।

সম্প্রতি দেখা যায়, বাঁধের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও কাঠগাছ রয়েছে। অনেক গাছ স্থানীয় বাসিন্দারা রোপণ করলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গাছ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে লাগানো হয়েছিল। এসব গাছের শিকড় বাঁধের মাটি ধরে রাখতে এবং ভাঙন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তবে হরিপুর এলাকার অপেক্ষাকৃত নির্জন অংশে সম্প্রতি একাধিক গাছ কেটে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, জনবসতি কম থাকায় ওই এলাকা দুর্বৃত্তদের জন্য সহজ টার্গেটে পরিণত হয়েছে। ফলে বাঁধের সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

মাছুলিয়া এলাকার বাসিন্দা সাজ্জাদ মিয়া বলেন, মাঝে মধ্যে দুর্বৃত্তরা বাঁধ থেকে মাটিও কেটে নেয়ার চেষ্টা করে। এলাকাবাসী প্রতিরোধ করায় অনেক সময় তারা সফল হতে পারে না। হরিপুরের বাসিন্দা মিন্নত আলী বলেন, প্রায়ই শুনি নদীপাড়ের গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মাদকসেবী ও চোরচক্রের সদস্যরা এসব ঘটনার সাথে জড়িত।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী ও প্রকল্প তদারকি কর্মকর্তা মো: মুজিবুল আলম এ ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে উত্তর শ্যামলী এলাকার কসকু মিয়া, গোসাইপুর এলাকার শামিম মিয়া এবং হরিপুর এলাকার সিরিজ আলীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, খোয়াই নদীর তীরবর্তী বাঁধ শুধু শহরকে বন্যার হাত থেকে রক্ষাই করে না, বরং এটি হাজারো মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার সাথে জড়িত। তাই, বাঁধের গাছ কাটা বা মাটি অপসারণের মতো কর্মকাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বর্ষা শুরুর আগেই এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করা এবং বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জাহেদুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, শহর রক্ষা বাঁধে নিয়মিত নজরদারি, টহল জোরদার এবং গাছ কর্তনের সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে হবিগঞ্জ শহর নতুন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল সাতছড়ি ও রেমা-কালেঙ্গায়

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল সাতছড়ি ও রেমা-কালেঙ্গায়

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। পাশাপাশি রামগঙ্গা চা বাগান, রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ও গ্রিনল্যান্ড পার্কেও দেখা গেছে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ব্যাপক সমাগম।

ঈদের ছুটি উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। পাহাড়ি টিলা, ঘন অরণ্য, বন্যপ্রাণী এবং চা বাগানের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ারসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে উপচে পড়া ভিড়। ঢাকা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকরা প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটিয়ে আনন্দ উপভোগ করছেন।

কিশোরগঞ্জ থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা সৌদি আরব প্রবাসী আলমগীর হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাতছড়ি ও রামগঙ্গার সৌন্দর্যের কথা দেখে এখানে এসেছি। বাস্তবে এসে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখে আমরা মুগ্ধ।

পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতিতে স্থানীয় ব্যবসায়ও চাঙ্গাভাব ফিরে এসেছে। চা-স্টল, রেস্তোরাঁ, পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসায়ীরা বাড়তি আয় করছেন। স্থানীয়দের মতে, পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি নজরদারি, অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক এবং টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে।

শালিশে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫০

শালিশে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫০

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার খরকি গ্রামে বিচার শালিশে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের কালাকারীর ছেলে আহমদের মালিকানাধীন ঢাকার একটি ফার্নিচার দোকান থেকে ঈদের আগে মুর্শেদ কামালের ছেলে তোফাজ্জল (৩৫) কিছু টাকা নিয়ে যান। পরে ওই টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে খরকি গ্রামে একটি নালিশি বিচার বসে। বিচার চলাকালে এক পক্ষ মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করলে অপর পক্ষ এতে বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর রাত প্রায় ৯টার দিকে পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৭ রাউন্ড শটগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।

বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। সকলকে শান্ত থাকার এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, “টাকা-পয়সা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বানিয়াচংয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্র্যাক অফিসের বাবুর্চির করুণ মৃত্যু

বানিয়াচংয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্র্যাক অফিসের বাবুর্চির করুণ মৃত্যু

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া এলাকায় অবস্থিত ব্র্যাক (BRAC) অফিসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাসেম মিয়া নামের এক ব্যক্তির করুণ মৃত্যু হয়েছে। 


আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত হাসেম মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত উক্ত ব্র্যাক অফিসে বাবুর্চি (রাঁধুনি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ, স্থানীয় ও অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও হাসেম মিয়া অফিসে নিজের দৈনন্দিন কাজ করছিলেন। সকাল ৯টার দিকে অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুতায়িত হন। মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি; ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

দীর্ঘদিন ধরে চৌধুরীপাড়ার এই অফিসটিতে রান্নার কাজ করায় স্থানীয় কর্মী ও প্রতিবেশীদের মাঝে তিনি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় মুখ ছিলেন। তার এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে ব্র্যাক অফিসের সহকর্মী এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। 

মরদেহ উদ্ধারসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়ার কাজ চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে লাখাইয়ের দুই ইটভাটার মালিককে জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে লাখাইয়ের দুই ইটভাটার মালিককে জরিমানা

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় পরিবেশ ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুইটি ইটভাটাকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার মোড়াকরি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলাম

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ৬ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৮ ধারার আওতায় সিএমসি ইটভাটার মালিক বাহাদুর উদ্দীনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে তিতাস ইটভাটার মালিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সুহিলপুর এলাকার হাজী আব্দুল আলীমের ছেলে মিজানুর রহমানকেও ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তর-এর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) সুমন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন লাখাই থানার এএসআই প্রদীপ সূত্রধরসহ পুলিশের একটি দল।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশবিধি ও প্রচলিত আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।