Previous
Next

সর্বশেষ

বালির নিচে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিকস, হবিগঞ্জে বিজিবির অভিযান

বালির নিচে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিকস, হবিগঞ্জে বিজিবির অভিযান

হবিগঞ্জে ৫৫বিজিবির পৃথক অভিযানে বালির নিচে লুকিয়ে পরিবহনকালে ভারতীয় শাড়ি ও কসমেটিকস এবং সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে ভারতীয় মদ ও গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত, চোরাচালান প্রতিরোধ ও মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ রোধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এসব অভিযান পরিচালনা করে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫৫ বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের সুরমা চা-বাগান এলাকায় অভিযান চালায়। এলাকাটি সীমান্ত থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে। এ সময় রাস্তার পাশে একটি সন্দেহজনক ড্রাম ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিকালে ট্রাকে বহন করা বালির নিচে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ভারতীয় শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে চোরাচালানকারীরা এসব পণ্য বালির আড়ালে পরিবহন করছিল বলে বিজিবি জানিয়েছে। জব্দকৃত এসব পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ১ কোটি ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪০০ টাকা।

এদিকে, ৫৫ বিজিবির অধীন সিন্দুরখান, সাতছড়ি ও তেলিয়াপাড়া বিওপির টহলদল পৃথক চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে সিন্দুরখান বিওপির টহলদল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিমাইলত এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে।

এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাতছড়ি বিওপির টহলদল হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গারোটিলা এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৯৬ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে। একই দিন রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে তেলিয়াপাড়া বিওপির টহলদল মাধবপুর উপজেলার ২০ নম্বর চা-বাগান এলাকা থেকে ১০ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ করে।

বিজিবি জানায়, এসব তিনটি অভিযানে মোট ১৪০ বোতল ভারতীয় মদ ও ১০ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মদ ও গাঁজার আনুমানিক সিজার মূল্য ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

বালির আড়ালে চোরাচালান, হবিগঞ্জে বিজিবি’র অভিযানে শাড়ি-কসমেটিকসসহ মাদক জব্দ

সব মিলিয়ে পৃথক অভিযানগুলোতে জব্দ করা ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিকস, মদ ও গাঁজার সর্বমোট সিজার মূল্য ১ কোটি ৬ লাখ ৭ হাজার ৪০০ টাকা।

জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান দমনে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ৫৫ বিজিবির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের অর্থনীতি ও জননিরাপত্তা সুরক্ষায় সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান ও মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদারের পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে

হবিগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগী ॥ ২১ জনের মৃত্যু

হবিগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগী ॥ ২১ জনের মৃত্যু

 

হবিগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। আক্রান্তদের অধিকাংশই শিশু ও কিশোর। পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের মেঝেতেও রোগীদের রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জ জেলার ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে মারা গেছেন তিনজন। অন্য ১৮ জন সিলেট, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। 

মৃতদের অধিকাংশই শিশু।

হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জেলায় হাম সংক্রমণ বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও কিশোরের সংখ্যাই বেশি। এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় আড়াই হাজার শিশু-কিশোরসহ মানুষ হামে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আমিনুল হক সরকার।

বর্তমানে হাম আক্রান্ত শতাধিক রোগী হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের নির্ধারিত ২০ শয্যার পাশাপাশি মেঝেতেও রোগীদের রাখতে হচ্ছে। হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় হাম রোগীদের জন্য ২০ শয্যার একটি আইসোলেশন সেন্টার রয়েছে। কিন্তু রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় সেখানে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক ও শয্যা দুটিই অপ্রতুল। ফলে একজন চিকিৎসককে একসঙ্গে অনেক রোগী দেখতে হচ্ছে। অনেক সময় চিকিৎসকের পরিবর্তে নার্সদের ওপরই রোগীদের দেখভালের বড় দায়িত্ব পড়ছে। হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর এলাকার বাসিন্দা সবুজ মিয়া বলেন, তাঁর এক আত্মীয় হামে আক্রান্ত হওয়ার পর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু শয্যা খালি না থাকায় তাকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসকরাও চাপের মধ্যে রয়েছেন। ফলে রোগীদের পর্যাপ্ত সময় দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি হাম রোগীদের জন্য অতিরিক্ত শয্যা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিশ্চিত করার দাবি জানান।

জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আমিনুল হক সরকার বলেন, প্রতিদিন হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাম রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সদর হাসপাতালে কোনো পেডিয়াট্রিক কনসালটেন্ট নেই। একটি সিনিয়র কনসালটেন্ট ও একটি জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ থাকলেও এসব পদে কোনো চিকিৎসক নেই। এরপরও হাসপাতালের দুই চিকিৎসক ও নার্সরা যথাসাধ্য চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। তাই রোগী ও স্বজনদের সচেতন হতে হবে। হাম মোকাবিলায় সময়মতো এমএমআর টিকা গ্রহণ করতে হবে। কেউ আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত অন্যদের কাছ থেকে আলাদা রাখতে হবে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না পারে। হবিগঞ্জ জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিউছুর রহমান উজ্জল বলেন, হাম আক্রান্ত হয়ে সিলেট, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হবিগঞ্জ জেলার ১৮ জন মারা গেছেন। এছাড়া জেলা সদর হাসপাতালে মারা গেছেন তিনজন। সব মিলিয়ে জেলায় হাম আক্রান্ত হয়ে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের অধিকাংশই শিশু।

তিনি আরও বলেন, হাম আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া ও শরীরে র‌্যাশসহ হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের কাছ থেকে আলাদা রাখার পাশাপাশি টিকাদানের বিষয়েও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

এদিকে হবিগঞ্জে হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত শয্যা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্সের ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা। একই সঙ্গে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আইসোলেশনে রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোগীর চাপ অব্যাহত থাকলে হাসপাতালের সীমিত শয্যা ও জনবল দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনরা।


শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ভুল ট্রেনে ময়মনসিংহ চলে যাওয়া শিশু ফিরলো স্বজনের কোলে

শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ভুল ট্রেনে ময়মনসিংহ চলে যাওয়া শিশু ফিরলো স্বজনের কোলে

বাড়ি থেকে বের হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে এসেছিল শিশু আহম্মদ মিয়া। স্টেশনে এসে ভুল করে একটি ট্রেনে উঠে পড়ে সে। ট্রেন ছুটতে ছুটতে কখন যে হবিগঞ্জ পেরিয়ে ময়মনসিংহে পৌঁছে যায়, তা বুঝতেই পারেনি শিশুটি। অচেনা শহরে একসময় নিজেকে একা পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত রেলওয়ে পুলিশের আন্তরিকতা ও সহযোগিতায় নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরেছে শিশুটি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সিলেট রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার জান্নাত আফরোজের নেতৃত্বে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই (নি.) রাশেদ পারভেজ ছায়িম, কনস্টেবল হাবিবুর রহমান ও নাইমুর ইসলাম শিশুটিকে উদ্ধার করে তার মামা মো. মোজাম্মেল হকের কাছে হস্তান্তর করেন।

রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চক্রমোহনা গ্রামের মৃত বিল্লাল মিয়ার ছেলে আহম্মদ মিয়া কয়েক দিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে আসে। সেখানে অসাবধানতাবশত একটি ট্রেনে উঠে পড়ে সে। ট্রেনটি গন্তব্যের দিকে ছুটতে থাকলেও শিশুটি বুঝতে পারেনি এটি তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। একপর্যায়ে ট্রেন গিয়ে থামে ময়মনসিংহে।

অচেনা জায়গায় গিয়ে বিপাকে পড়ে যায় আহম্মদ। পরে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা পুলিশের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে। কথা বলে তারা জানতে পারে, শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন থেকেই ভুল করে ট্রেনে উঠে ময়মনসিংহে চলে এসেছে সে।

বিষয়টি জানানো হয় শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িকে। খবর পেয়ে শিশুটির পরিচয় শনাক্তে তৎপরতা শুরু করেন পুলিশ সদস্যরা। স্থানীয়দের সহযোগিতায় অবশেষে জানা যায় শিশুটির পরিচয় ও পরিবারের ঠিকানা।

শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই (নি.) রাশেদ পারভেজ ছায়িম বলেন, ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা পুলিশের সহায়তায় বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনযোগে শিশুটিকে আখাউড়া রেলওয়ে থানায় পাঠানো হয়। পরে সিলেট রেলওয়ের পুলিশ সুপার জান্নাত আফরোজের নেতৃত্বে আমরা শিশুটিকে শায়েস্তাগঞ্জে নিয়ে আসি। 

তিনি আরও জানান, শুক্রবার শিশুটিকে তার মামা মো. মোজাম্মেল হকের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হয়েছে। শিশুটিকে ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন স্বজনরা। কয়েকদিনের দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠার অবসান ঘটে তাদের। আর পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অচেনা শহর থেকে নিজের আপনজনদের কাছে ফিরতে পেরে যেন নতুন করে নিরাপত্তার অনুভূতি পেল শিশু আহম্মদ। 

সদর হাসপাতালের সামনে ময়লার ভাগাড় ॥ দুর্ভোগে রোগী-পথচারীরা

সদর হাসপাতালের সামনে ময়লার ভাগাড় ॥ দুর্ভোগে রোগী-পথচারীরা

হবিগঞ্জের ৯টি উপজেলার মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান ভরসা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর আধুনিক হাসপাতাল। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনেই গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। প্রতিদিন হাসপাতালের বর্জ্য, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে সেখানে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। চরম দুর্ভোগে পড়ছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, স্বজন, পথচারী ও আশপাশের ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের প্রধান ফটকের পাশে ময়লার স্তূপ জমে আছে। হাসপাতালের কর্মচারী ও আয়ারা ঝুড়িভর্তি ময়লা এনে ফটকের কাছেই রেখে যাচ্ছেন। পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনরাও ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী ও খাবারের উচ্ছিষ্ট সেখানে ফেলছেন। এতে দিন দিন ময়লার স্তূপ বড় হচ্ছে এবং পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। হাসপাতালের সামনে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা থাকলেও তা যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের দাবি, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না করায় হাসপাতালের প্রবেশপথের সামনেই ময়লা জমে থাকছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালের সামনে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা জমে থাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পাশের সড়ক দিয়েও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনন্তপুর, শায়েস্তানগর, জঙ্গলবহুলাসহ আশপাশের এলাকার মানুষ এ সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন। দুর্গন্ধের কারণে অনেকেই এখন বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা তালেব মিয়া বলেন, রোগ নিরাময়ের জন্য হাসপাতালে এসে উল্টো পরিবেশ দূষণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ার উপক্রম হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত মনিটরিং করলে প্রধান ফটকের সামনে এভাবে ময়লার স্তূপ জমে থাকার কথা নয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী রুবেল আহমেদ বলেন, “এটি জেলা সদর হাসপাতাল। অথচ হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে এমন ময়লার ভাগাড় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দুর্গন্ধের কারণে ফটকের সামনে দাঁড়ানোই কঠিন। এতে আশপাশের ব্যবসায়ীরাও সমস্যায় পড়ছেন।”

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল ইসলাম সরকার বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ময়লা অপসারণের জন্য হবিগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। শিগগিরই এসব ময়লা অপসারণ করা হবে।”

এলাকাবাসী দ্রুত হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে জমে থাকা ময়লা অপসারণ, নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত এবং হাসপাতাল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


জ্বালানির জ্বালায় বেসামাল বাংলাদেশ, বাড়ছে রাষ্ট্রের আর্থিক চাপ

জ্বালানির জ্বালায় বেসামাল বাংলাদেশ, বাড়ছে রাষ্ট্রের আর্থিক চাপ

বিশেষ প্রতিনিধি: বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামার কারণে গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে আর্থিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও পেট্রোবাংলাকে উচ্চ ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপরও বাড়ছে চাপ।

বিপিসি-সংশ্লিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলনামূলক বেশি দামে জ্বালানি তেল কিনে দেশের বাজারে কম দামে বিক্রি করায় গত ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পরিমাণ ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ও দেশের অভ্যন্তরীণ বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধানই এ লোকসানের অন্যতম কারণ।

একইভাবে এলএনজি আমদানিতেও ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। পেট্রোবাংলার হিসাবে, নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে গত ছয় মাসে এলএনজি আমদানিতে অতিরিক্ত প্রায় ১৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির উচ্চমূল্যের কারণে এ অতিরিক্ত ব্যয় তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতার পেছনে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কারণ কাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর প্রভাব ফেলছে। তেলের পাশাপাশি গ্যাসের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের এমন অস্থিরতা সরাসরি অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করছে।

জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর প্রভাব শিল্পকারখানা ও উৎপাদন কার্যক্রমেও পড়ছে। কোথাও কোথাও জ্বালানি ও বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের বাজারে কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে দেশের জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণন ব্যবস্থায় বিপিসির প্রধান ভূমিকা ছিল। এখন সেই ব্যবস্থায় বেসরকারি খাতকে আরও বেশি যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে জ্বালানি তেলের বাজার আংশিকভাবে উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করা হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি বাজারে একক নির্ভরতা কমানো গেলে সরবরাহব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়লে আমদানি, মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে বাজার উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মূল্য নির্ধারণের স্বচ্ছতা এবং ভোক্তাস্বার্থ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে সরকারের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার মধ্যেও দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক চাপ কমানো। এ জন্য বাজার সংস্কার, বেসরকারি অংশগ্রহণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি বাজারের এই পরিবর্তন কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে নীতিমালার বাস্তবায়ন, বাজার তদারকি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর। তবে বর্তমান সংকট সামাল দিতে সরকারি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার উদ্যোগকে জ্বালানি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে

হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির অভিযানে ইয়াবা গাঁজা-মদসহ চোরাচালান পণ্য জব্দ

হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির অভিযানে ইয়াবা গাঁজা-মদসহ চোরাচালান পণ্য জব্দ

সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ইয়াবা, গাঁজা, মদ, শাড়ি, বাংলাদেশি রসুন ও একটি বাইসাইকেল জব্দ করেছে। এ সময় এক আসামিকে আটক করা হয়। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৯৯ হাজার ৪৫০ টাকা। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মনতলা, সিন্দুরখান ও তেলিয়াপাড়া বিওপির টহলদল মাধবপুর উপজেলার রামনগর ও লেকেরপাড় এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার হুগলিয়া বেলতলী এলাকায় পৃথক চোরাচালান ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ভারতীয় ইয়াবা, গাঁজা, মদ, শাড়ি, বাংলাদেশি রসুন ও একটি বাইসাইকেলসহ মো. আশিক (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক আশিক মাধবপুর উপজেলার রামনগর গ্রামের মো. রব মিয়ার ছেলে। এছাড়া সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে মনতলা বিওপির টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাধবপুর উপজেলার চৈতন্যপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। বিজিবি জানায়, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালানি মালামালের বিষয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ৫৫ বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত সুরক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্যের প্রবেশ রোধে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবির কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

মাধবপুর-চৌমুহনী সড়কের বেহাল দশা বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ॥ সংস্কারের দাবি

মাধবপুর-চৌমুহনী সড়কের বেহাল দশা বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ॥ সংস্কারের দাবি

আমিনুল ইসলাম আপন ॥  মাধবপুর উপজেলা সদর থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরে গেছে। কোথাও পিচ ও কার্পেটিং উঠে গেছে, আবার কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারীরা। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এ অঞ্চলের অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষ। সরেজমিনে দেখা যায়, মাধবপুর উপজেলা সদর থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের দুই পাশও ভেঙে গেছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকলে গর্তের গভীরতা বোঝা যায় না। পানি সরে গেলে বেরিয়ে আসে সড়কের ভাঙাচোরা ও বেহাল চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা ও আদাঐরসহ অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ নিয়মিত এ সড়ক ব্যবহার করেন। শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনেও সড়কটির গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, সড়কটির অবস্থা এতটাই খারাপ যে যানবাহনে চলাচল করাও অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না। একজন স্থানীয় ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের কষ্টের কথা কেউ মনে রাখে না। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছি। দ্রুত সংস্কার করা হলে আমাদের দুর্ভোগ কমবে।” স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও টেকসই সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় আবারও সড়কটি বেহাল হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ ও স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৯ সালে প্রায় ১৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মাধবপুর উপজেলা সদর থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি