সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেন। দুপুর ১২টার দিকে তারা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে রবিবার সকালেই আবাসন ভাতার দাবিতে শিক্ষার্থীরা ভিসি ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবন প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে অবস্থান নিয়েই তারা তালাবদ্ধ কর্মসূচি পালন শুরু করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ‘২০ ব্যাচের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত মানি না’, ‘বৈষম্যের সিদ্ধান্ত মানি না’, ‘১, ২, ৩, ৪—বৃত্তি মোদের অধিকার’, ‘বৃত্তি আমার অধিকার, না দেওয়ার সাধ্য কার?’সহ নানা স্লোগান দেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচ একটি গৌরবান্বিত ব্যাচ। প্রথম বর্ষে পুরান ঢাকার গিঞ্জি পরিবেশে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হন। তবে নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রথম কিস্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। অথচ যমুনা আন্দোলনে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তিনি আরও বলেন, একক সিদ্ধান্তে বিষয়টি সমাধান সম্ভব নয়। কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
এদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, “আমরা প্রায় ২৫-৩০ জন অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। সব কিছুরই একটা সীমা আছে।”
