মামলায় আসামিরা হলো, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া উপজেলার শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (৭২), সাবেক আসাদুজ্জামান খান কামাল (৭০), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার টাউন হল রোডের সাবেক এমপি মৃত আমির আলীর পুত্র আবু জাহির (৬২), শহরের দেনেশ্বর বাড়ির রইছ মিয়ার পুত্র সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম (৫৩), শহরের টাউন হল রোডের মৃত হাসিম উল্লার পুত্র জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মজিদ খান (৭৫), মাধবপুর উপজেলার বুল্লা গ্রামের মৃত মৌলানা আসাদ আলীর পুত্র সাবেক বিমানমন্ত্রী মাহবুব আলী (৭০), চুনারুঘাট উপজেলার পীরের বাজারের মৃত সৈয়দ এরশাদ আলীর পুত্র সাবেক এমপি সৈয়দ সাইদুল হক সুমন (৪৬), বানিয়াচং উপজেলার আমীর আলী চৌধুরীর পুত্র সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী (৪৮), বানিয়াচং উপজেলার মশাকলি গ্রামের হরকুমার দাশের পুত্র সাবেক চেয়ারম্যান জয় কুমার দাশ (৫০), মাধবপুর উপজেলার হরিতলা গ্রামের মর্তুজা আলীর পুত্র হাছান আহম্মদ (৫০), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর গ্রামের মৃত আতর আলীর পুত্র সাবেক চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন আহমেদ (৪৫), হবিগঞ্জ উপজেলার কালীগাছতলা এলাকার মৃত মুক্তার মিয়ার পুত্র সাবেক মেয়র মোঃ আতাউর রহমান সেলিম (৫৪), বানিয়াচং উপজেলার বলাকীপুর গ্রামের মৃত আমীর আলীর পুত্র কাউছার মিয়া (৪৭), সদর উপজেলার শরিফাবাদ গ্রামের আজদু মিয়ার পুত্র আঃ আউয়াল (৫৫), বানিয়াচং উপজেলার উত্তর সাঙ্গর গ্রামের কিম্মত আলীর পুত্র মহিবুর রহমান মাহি (৩৫), বানিয়াচং উপজেলার মন্দরী গ্রামের মৃত হাসিম উল্লার পুত্র শামছুল হক (৬৫), হবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের আরফান আলীর পুত্র সোহেল মেম্বার (৪০), আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামের বহু মিয়ার পুত্র এনামুল হক (৬২), উমেদনগর এলাকার মৃত রজব আলীর পুত্র নুরুল ইসলাম (৬৫), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের মৃত কালা মিয়ার পুত্র মোঃ বাবুল মিয়া (৪৫), কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার টুকরাকান্দি গ্রামের মৃত হেকিম মিয়ার পুত্র মর্তুজ আলী মোল্লা (৬০), ধুলিয়াখাল গ্রামের চান মিয়ার পুত্র শফিক মিয়া (৫২), কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর গ্রামের হাজী হযরত আলীর পুত্র আনু মিয়া (৪৮), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উত্তর সুলতানশী গ্রামের আঃ লতিফের পুত্র রুবেল মিয়া (৩৫), নবীগঞ্জ উপজেলার হলিমপুর গ্রামের মৃত নিরঞ্জন তালুকদারের পুত্র নিক্সন তালুকদার (৩৭), মাধবপুর উপজেলার শিবপুর গ্রামের মনুর আলীর পুত্র আঃ হেকিম কাদরী (৩৫), মাধবপুর উপজেলার সাতফারিয়া গ্রামের বাবু আহম্মেদের পুত্র রাজিব আহমেদ (৩৬), মাধবপুর উপজেলার হরিতলা গ্রামের বসু মিয়া সরদারের পুত্র মোঃ জাহের উদ্দিন (৩৬), মাধবপুর উপজেলার হরিতলা গ্রামের মৃত আঃ রহমানের পুত্র হেলাল মিয়া (৩৮), মাধবপুর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের ইরাজ আলীর পুত্র সায়েম আহমেদ (৩৭), শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুর গ্রামের অজ্ঞাত পিতার পুত্র বদরুর আলম দিপন (৪০), নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের পুত্র মোঃ রুবেল আহমেদ (৩০), শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার মৃত শাহাব উদ্দিন আহমেদের পুত্র সফিক উদ্দিন আহমেদ (৩২), বানিয়াচং উপজেলার মৃত আঃ আহাদের পুত্র আঃ রকিব (৩৫), সদর উপজেলার মৃত আঃ আহাদের পুত্র আঃ মুকিত (৪৫), সদর উপজেলার গদাইনগর গ্রামের মৃত মরম আলীর পুত্র তাজ উদ্দিন (৪৫), বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর গ্রামের মৃত সুলতান হোসেন তালুকদারের পুত্র সেলিম তালুকদার (৪০), সদর উপজেলার নোয়াহাটি গ্রামের উপেন্দ্র দাসের পুত্র নিতেন্দ্র দাস (৬০), হবিগঞ্জ শহরতলীর ঘাটিয়া গ্রামের অনিল দাসের পুত্র অলক দাস (৩৫), গোপাল সরকারের পুত্র কাজল সরকার (৪৬), বানিয়াচং উপজেলার কাটখাল গ্রামের মৃত মুছা মিয়ার পুত্র আমিরুল ইসলাম (৩৮), শংকরপাশা গ্রামের জিতু মিয়ার পুত্র বদরুল কবির দুলাল (৫০), চুনারুঘাট উপজেলার মৃত আকল মিয়ার পুত্র নাজমুল ইসলাম বুকুল (৪৫), চুনারুঘাট উপজেলার চন্দনা গ্রামের মৃত সত্তার মিয়ার পুত্র মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫০), রিচি গ্রামের পুত্র বেলাল আহমেদ (৪৭), জালালাবাদ গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম (৫৫), গরুর বাজারের মোঃ নাছির উদ্দিন (৫৫), মাধবপুর উপজেলার বেলঘর গ্রামের মোঃ এখলাছুজ্জামান ভূঁইয়া (৫০), সদরের দীঘলবাগ গ্রামের সেকুল মিয়া (৩৭), শহরের বাণিজ্যিক এলাকার চন্দন বনিক (৪০), রিচি গ্রামের ওয়াহিদ মিয়া (৪৯), চুনারুঘাট উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের ফুল মিয়া (৪০), কালিশিরি গ্রামের হুছাইন আহমদ (৪৭), সদরের রিচি গ্রামের শেখ শাহ আলম (৫০), মাদবপুরের মির্জাপুরের লোকমান হোসেন (৪০) ও বানিয়াচংয়ের প্রতাপপুর গ্রামের মোবাশ্বির সরদার (৩৭) সহ ৫৬ জন।
বাদী আরজিতে উল্লেখ করেন ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই শহরের আশরাফ জাহান কমপ্লেক্সের নিকট ছাত্রজনতার আন্দোলন চলাকালে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের নির্দেশে আসামিরা নির্বিচারে গুলি চালায়। এ সময় মাহমুদুল হাসানসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
