হবিগঞ্জে তাহেরীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে হট্টগোল

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট–মাধবপুর) আসনের ইসলামিক ফ্রন্ট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

রোববার বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুড়ি ইউনিয়নের দেওলগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত প্রচারণা কর্মসূচি না করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে হয় মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরীকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেওলগাঁও গ্রামে যান তাহেরী। তাঁর গাড়িবহর গ্রামে পৌঁছানোর পর সাটিয়াজুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল হকের নেতৃত্বে একদল বিএনপি নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রচারণা চালাতে বাধা দেন। এ সময় তারা বিএনপির প্রতীক ‘মোমবাতি’ স্লোগান দেন এবং প্রচারণা না চালানোর জন্য বলেন।

ঘটনাস্থলে বিএনপির হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ ফয়সলের লিফলেট বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে দেখা যায়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হট্টগোল শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাহেরী প্রচারণা না করেই স্থান ত্যাগ করেন।

ঘটনাস্থল ত্যাগের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরী বলেন, “নির্বাচন আসবে, নির্বাচন চলে যাবে। রাজনীতি করার অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু কাউকে নির্বাচনী প্রচারণা করতে না দেওয়া সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিপন্থী।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর গাড়িবহর কিছু সময় আটকে রাখা হয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এলাকার একটি সম্মান আছে। সবাইকে সেই সম্মান বজায় রাখতে হবে। প্রচারণায় বাধা দেওয়া মারাত্মক অপরাধ।”

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর সিরাজ বলেন, “নির্বাচনের সময় অনেক কিছুই ঘটে। এটা একটি ভুল বোঝাবুঝি।”

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে কেউ অবগত করেনি। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।


শেয়ার করুন