শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীতে গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনময় সভায় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
এহছানুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার নির্দলীয়। সরকারের কোনো প্রার্থী নেই, কোনো পক্ষও নেই। আমাদের দায়িত্ব শুধু একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। তবে নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার করতে পারবেন না। ভোটারদের শুধু অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা যাবে, কোনো অবস্থান নেওয়া যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটে জনগণ পরিবর্তন চায় কি না, সেটি জনগণের সিদ্ধান্ত। সরকার এখানে নিরপেক্ষ। যারা ভোটে জিতবেন, তারাই সরকার গঠন করবেন। ৩৬ জুলাইয়ের পর দেশে যে পরিবর্তন এসেছে, তা নিয়ে মানুষের মতামত জানার সুযোগই হলো এই গণভোট। কেউ ‘হ্যাঁ’ বলবেন, কেউ ‘না’ বলবেন এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ভোটারদের।’
কিছু জায়গায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নতুন বিধিনিষেধ জারির পর এখন বিষয়টি পরিষ্কার। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, ‘অতীতের নির্বাচনগুলো নিয়ে মানুষের যে আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে সরকার কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘এবারের ভোটগ্রহণে ভোটাররা দুটি ব্যালট পাবেন। একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য। গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রঙের, যাতে ভোটাররা বিভ্রান্ত না হন। আমরা চাই না কোনো ভোটার বিশেষ করে নারী ভোটাররা ভুলের কারণে গণভোটে ভোট বাতিলের শিকার হন। সে জন্য তথ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক কাজ করছেন।’
সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার অ.ন.ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে রাজশাহী বিভাগের প্রশাসন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক হবিগঞ্জের আয়না/আপন
