স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, জেলার চারটি আসনে দলীয় জয় সত্ত্বেও মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না থাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রভাব পড়তে পারে, এমন আশঙ্কা করছেন অনেকে। বিশেষ করে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রে জেলার প্রতিনিধিত্ব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
ড. রেজা কিবরিয়ার পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ও প্রত্যাশা বাড়িয়ে তুলেছিল। তিনি প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার পুত্র। অর্থনীতি বিষয়ে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন, এমন ধারণা ছিল অনেকের।
তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভা গঠন প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত বিষয় এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণ হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে। জেলা বিএনপির নেতারা বলছেন, মন্ত্রিত্ব না পেলেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন।
