সুরা আল-বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আমানু কুতিবা ‘আলাইকমুস সিয়ামু কামা কুতিবা ‘আলাল্লাজিনা মিন কাবলিকুম লা‘আল্লাকুম তাত্তাকুন।” অর্থাৎ “হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন করে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর।”
এ মাসে একটি নফল আদায় করলে রমজানের বাইরে একটি ফরজ আদায়ের সমান হয়। একটি ফরজ আদায় করলে ৭০টি ফরজ আদায়ের সমান হয়। এটি সবর, রহমত, মাগফিরাত, নাজাত, সহানুভূতি, ধৈর্য, গোনাহ মাফ, গরিবের দুঃখ বোঝা ও সংযমের মাস।
রাসুলে কারিম (সা.) বলেছেন, রোজাদারদের মুখের লালা আল্লাহ তায়ালার কাছে মেশক, আম্বর, কস্তুরীর চেয়েও প্রিয়। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, রিয়াদুস সালেহিন)।
রোজাদারদের জন্য জান্নাতে একটি বিশেষ দরজা রাইয়ান (আর-রাইয়ান) রয়েছে। এ দরজা দিয়ে একমাত্র রোজাদাররাই প্রবেশ করবে। রাইয়ান শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ তৃপ্ত, পানিতে সিক্ত বা সজীব, তৃষ্ণামুক্ত বা তৃষ্ণা নিবারিত।
