ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ট্রাকে কিছু পণ্য আগে থেকেই প্যাকেট করা থাকলেও অধিকাংশ পণ্য প্যাকেট করা ছিল না। বরং সেগুলো ট্রাকের ভেতরে লুকানো অবস্থায় রাখা হয়। ফলে নির্ধারিতভাবে পণ্য বিতরণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই পণ্য সংগ্রহ করতে পারেননি। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তার নজরে আসেনি। অভিযোগের বিষয়ে ডিলার জনি দাশ বলেন, “এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়।
এদিকে উপস্থিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডিলার পুরো মালামাল বিক্রি না করেই ট্রাক নিয়ে চলে যান। এতে অনেক মানুষ কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন ক্রেতা জানান, তারা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও পণ্য পাননি। ফলে হতাশ হয়ে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে তাদের। রমজান মাসে স্বল্পমূল্যে পণ্য কেনার আশায় তারা সেখানে এসেছিলেন বলে জানান। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার বিষয়টি নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছেন। ফলে অনিয়মের সুযোগ আরও বেড়ে গেছে। এদিকে ডিলার জনি দাশের বিরুদ্ধে অতীতেও এমন অনিয়মের অভিযোগ ছিল বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের ব্যবসা-বাণিজ্য শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সচেতন মহল বলছে, রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকার স্বল্পমূল্যে পণ্য সরবরাহের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা যাতে কোনোভাবেই অনিয়মের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
