কালীবাড়ি সড়কের ব্যবসায়ী সোহেল আহমদ জানান, বাজার এলাকায় সন্ধ্যার পর মশার কারণে ক্রেতারা বেশিক্ষণ থাকতে চান না। এতে ব্যবসায়ও প্রভাব পড়ছে। তিনি বলেন, “মশার কারণে দোকানে বসে থাকা কঠিন হয়ে গেছে। নিয়মিত ওষুধ ছিটানো হলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত।”
শহরের বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী মানুষের অভিযোগ, মশা নিধনের জন্য পৌরসভা থেকে নিয়মিত কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ে না। ফলে ড্রেন, নর্দমা ও জলাবদ্ধ স্থানে মশার বংশবিস্তার বাড়ছে। অনেক জায়গায় ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।
স্বাস্থ্য সচেতন মহলের মতে, মশার উপদ্রব বাড়লে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নিয়মিত ফগিং কার্যক্রম পরিচালনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে মশার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
শহরবাসীর দাবি, দ্রুত মশা নিধনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে নিয়মিত ফগিং মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটানো, ড্রেন ও নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের আশা, নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হবে এবং নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
