এদিকে হঠাৎ করে একাধিক পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আগেভাগেই তেল সংগ্রহ করে রাখার চেষ্টা করছেন। জানা গেছে, অনেক বাইকার মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে তেল বের করে বোতলে ভরে বাসায় সংরক্ষণ করছেন। বাইকারদের দাবি, জেলার অনেক পাম্পে বর্তমানে পেট্রোল বা অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। এরই মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে—প্রতি মোটরসাইকেল আরোহীকে সর্বোচ্চ দুই লিটার করে তেল দেওয়া হতে পারে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই তেল সংগ্রহে তৎপর হয়ে উঠেছেন।
মোটরসাইকেল চালকদের মতে, হঠাৎ করে পাম্প বন্ধ থাকায় জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে অনেকের মনে ধারণা জন্মেছে, যেকোনো সময় জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কা থেকেই অনেকে আগাম তেল সংগ্রহ করে রাখার উদ্যোগ নিচ্ছেন। বাইকারদের আরও আশঙ্কা, যদি হঠাৎ করে প্রতি লিটার জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে বর্তমান ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ এখনকার দামে কেনা তেলের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ভাড়া যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব নাও হতে পারে।
এদিকে কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, কোথাও কোথাও পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকা সত্ত্বেও পাম্প বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট কাজ করছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং প্রয়োজন হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাইকার ও ভুক্তভোগীরা। তাদের মতে, পাম্পগুলো স্বাভাবিকভাবে চালু থাকলে এবং জ্বালানি সরবরাহে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকলে সাধারণ মানুষকে এভাবে তেল মজুদ করে রাখার প্রয়োজন পড়ত না।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
