সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, সড়কটি আর রাস্তা বলে মনে হয় না, বরং একটি জলাশয়ে রূপ নেয়। এতে প্রতিদিন এই পথে চলাচলকারী শত শত মানুষ, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, এবং মসজিদের মুসল্লিরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, একাধিকবার উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দ এলেও সড়কের প্রবেশমুখ সংকীর্ণ থাকার কারণে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করা হয়। তবে এ যুক্তিকে যথাযথ বলে মনে করছেন না এলাকাবাসী। তাদের মতে, সময়মতো নিয়মিত সংস্কার করা হলে আজ এ ধরনের ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।
এলাকাবাসীর দাবি, সড়কের প্রবেশমুখ অন্তত ১২ ফুট বা তার বেশি প্রশস্ত করা হলে অ্যাম্বুলেন্স, নোহা এবং অন্যান্য জরুরি যানবাহন সহজেই চলাচল করতে পারবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের আন্তরিকতা, সদিচ্ছা ও সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য বলে তারা মনে করেন।
তাদের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্টরা যদি অনড় অবস্থানে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আমলাতান্ত্রিক ও আইনগত জটিলতায় আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। ইতোমধ্যে এই দুরবস্থার মধ্যেই এলাকার অনেক বাসিন্দা মৃত্যুবরণ করেছেন, যা এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও রাস্তা প্রশস্তকরণ ও জনকল্যাণমূলক কাজকে একটি সওয়াবের কাজ হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয়রা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সমাধানের পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের প্রতি এলাকাবাসীর জোর দাবি—দ্রুত প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ নিশ্চিত করে সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
