স্থানীয়রা জানান, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর অধিকাংশ জমিদার ভারতে চলে গেলে এসব বাড়ি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখল এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্থাপনাগুলো ধ্বংসের মুখে পড়ে। বর্তমানে ভাঙা ইমারত, শানবাঁধানো দিঘির ঘাট এবং জরাজীর্ণ মন্দিরগুলোই কেবল অতীত ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে।
হাওরবেষ্টিত এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ করা গেলে তা পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে স্থানগুলো সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জলসুখা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. রাসেল মিয়া জানান, আড়াইশ বছর পুরনো এই জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির বর্তমানে অযত্ন-অবহেলায় রয়েছে। ঝড়-তুফানে বৈঠকখানার ছাদ ভেঙে পড়েছে। তিনি আরও জানান, জমিদার বাড়িটি তহসিল অফিসের তত্ত্বাবধানে থাকলেও সংস্কারের বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে।
