এদিকে উন্নত জাতের বীজের সংকট ও পোকার আক্রমণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আগাম বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশের সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলায় আগাম বন্যায় বোরো ফসলের ক্ষতির খবর ছড়িয়ে পড়ায় লাখাইয়ের কৃষকদের মধ্যেও উদ্বেগ বেড়েছে।
লাখাই ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের কৃষক আক্কল আলী জানান, হঠাৎ জমিতে পানি ঢুকে পড়ায় কাঁচা ও আধাপাকা ধান কেটে ফেলতে হয়েছে। তিনি বলেন, “একদিকে শ্রমিকের অভাব, অন্যদিকে রোজার কারণে অনেকেই কাজ করতে চান না। পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”
স্বজন গ্রামের কৃষক আনজব আলী বলেন, তিনি ১৮ কানি জমিতে ধান আবাদ করেছিলেন। এর মধ্যে পাঁচ কানি জমির ধান ইতিমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি জানান, জমির ধান এখনো পুরোপুরি পাকেনি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ধলেশ্বরী নদীতে গত কয়েক দিন ধরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। লাখাই ইউনিয়নের শিবপুর ও স্বজনগ্রাম এলাকায় প্রায় ৬ হেক্টর বোরো জমি তলিয়ে গেছে। এসব জমি নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে হওয়ায় আগে প্লাবিত হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, উজানে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে উপজেলার হাওরাঞ্চলের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।
