স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও উপজেলার অনেক গ্রামীণ রাস্তা এখনো কাঁচা রয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব পথে হাঁটুসমান কাদা তৈরি হয়। এতে শত শত কিলোমিটার সড়ক স্থানীয়দের কাছে যেন প্রতিদিনের দুর্ভোগের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলিতাতলা, বক্তারপুর, গোসাই বাজার, ফতেহপুর বাজার, ডুবাঐ বাজার, ফতেহপুর, নিধনপুর, ফতেহপুর, স্নানঘাট, বাহুবল, রশিদপুর, মিরপুর, মহাশয় বাজার এবং বাহুবল, গোহারুয়া সড়কের অধিকাংশ অংশই চলাচলের অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। যাত্রী ও স্থানীয়রা জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে জরুরি রোগী কিংবা গর্ভবতী নারীদের হাসপাতালে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটার অভিযোগও রয়েছে। বক্তারপুর এলাকার কৃষক আঃ গফুর, রহিমসহ অনেকে বলেন, ভাঙা সড়কের কারণে তারা উৎপাদিত কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারে নিতে পারেন না। এতে পরিবহন খরচ বেড়ে গিয়ে ন্যায্য দাম পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। শিক্ষার্থী ফিরোজা আক্তার, রাবিয়া, মমিন মিয়া ও এখলাচ মিয়া জানান, কাদা ও গর্তে ভরা রাস্তায় প্রতিদিন স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে কষ্ট হয়। অনেক সময় বই–খাতা ও পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। সিএনজি চালক সুমন মিয়া বলেন, “রাস্তার বড় বড় গর্তে প্রায়ই সিএনজি উল্টে দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে আমাদের চলতে হয়।” স্থানীয়রা দ্রুত এসব সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।
বাহুবলে গ্রামীণ সড়ক দুর্ভোগ লাখো মানুষের চরম ভোগান্তি
প্রকাশিত হয়েছেঃ Monday, May 04, 2026
বাহুবল উপজেলায় গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চরমভাবে ভেঙে পড়েছে। উপজেলার অধিকাংশ কাঁচা ও আধাপাকা সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় লাখো মানুষের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়, যখন এসব রাস্তা কাদা ও গর্তে চলাচলের প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়ে। জানা গেছে, ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছাড়া প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ও আঞ্চলিক সড়কই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বড় বড় গর্ত, ভাঙাচোরা পিচ এবং পানি জমে থাকা অংশগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে স্থানীয়রা প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
খবর বিভাগঃ
হবিগঞ্জ
