শ্রমিকের উচ্চ মজুরি ও ধানের কম দামে দিশেহারা কৃষক

গ্রামের মাঠে এখন হতাশার ছায়া। ধান কাটার মৌসুম এলেও কৃষকের মুখে নেই হাসি, বরং চারদিকে চাপা উদ্বেগ। জমিতে ধান ফলালেও সেই ধান ঘরে তুলতে গিয়ে পড়তে হচ্ছে নতুন সংকটে। শ্রমিকের বাড়তি মজুরি দিতে গিয়ে কৃষকরা হয়ে পড়ছেন ঋণের বোঝায় জর্জরিত।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন একজন শ্রমিককে দিতে হচ্ছে হাজার থেকে বারোশো টাকা পর্যন্ত। অথচ বাজারে ধানের দাম মিলছে খুবই কম। ফলে জমি কেটে ধান ঘরে তোলার পরও লাভ তো দূরের কথা, উল্টো বাড়ছে লোকসানের পরিমাণ।

একজন কৃষক বলেন, “জমিতে ধান ফলিয়ে কি লাভ? শ্রমিকের টাকা দিতে গিয়েই আমরা ঋণী হয়ে যাচ্ছি। এখন চিন্তা হচ্ছে, এনজিওর কিস্তি দেবো কিভাবে, আর মহাজনের টাকা শোধ করবো কীভাবে?”

আরেকজন কৃষকের ভাষায়, “সারাবছর কষ্ট করে ফসল ফলাই, কিন্তু শেষমেষ সব চলে যায় খরচ আর দেনা শোধ করতে। আমাদের জন্য কেউ যেন ভাবছে না।”

এ অবস্থায় কৃষকরা সরকারের কাছে জরুরি সহায়তা ও ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায়, এই সংকট আরও গভীর হয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


শেয়ার করুন