খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, এলজিইডি, কৃষি সম্প্রসারণ, প্রাণিসম্পদ, সমবায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন, সমাজসেবা, প্রাথমিক শিক্ষা, পরিসংখ্যান, ভূমি, মহিলা বিষয়ক, মাধ্যমিক শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ও যুব উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, জনবল সংকটের কারণে প্রত্যাশিত মানের সেবা প্রদান করতে প্রশাসনকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে সীমিত জনবল দিয়েই সেবা কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা চলছে। হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক এ কে এম ড. সরফরাজ জানান, শূন্য পদগুলো পূরণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এদিকে, উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করে প্রশাসনিক সেবার মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
