হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বিভিন্ন রোগী ও স্বজনরা জানান, প্রয়োজনীয় স্যালাইন না থাকায় তাদের বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে এবং জরুরি সময়ে চিকিৎসা সেবা পেতে বিলম্ব হচ্ছে।
রাতে চিকিৎসা নিতে আসা সুমন মিয়া বলেন, “রাত ২টার দিকে হাসপাতালে স্যালাইন না পেয়ে মাধবপুর বাজারের বিভিন্ন ফার্মেসিতে খোঁজ করি। কোথাও সহজে পাওয়া যায়নি। পরে অনেক কষ্ট করে স্যালাইন সংগ্রহ করতে হয়েছে।”
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি ওয়ার্ডের বেড অপরিষ্কার অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে দুর্গন্ধেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া হাসপাতালে সরবরাহ করা খাবারের মান নিয়েও রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. ইমরুল আহসান বলেন, “বছরের শেষ ও মাসের শেষ হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে খুব দ্রুত নতুন স্যালাইনের চালান হাসপাতালে পৌঁছাবে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।”
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কলেরার মতো সংক্রামক রোগের চিকিৎসায় স্যালাইনের সংকট কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা দ্রুত সংকট নিরসনের পাশাপাশি হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রোগীসেবা এবং খাবারের মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
