হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের হাম ইউনিটে নার্সের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের হাম ইউনিটে দায়িত্ব পালনকারী এক নার্সের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসেবায় গাফিলতি ও রোগীর স্বজনদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা রিপন দাশ।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে তিন বছর বয়সী সৌমিনি দাশকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের সপ্তম তলায় অবস্থিত হাম প্রকোষ্ঠে ভর্তি দেন। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স শিশুটিকে স্যালাইন প্রদান করেন।

অভিযোগে বলা হয়, কিছু সময় পর স্যালাইন শেষ হয়ে গেলে শিশুটির হাতে লাগানো ক্যানুলার মাধ্যমে রক্ত উল্টো দিকে উঠতে শুরু করে। এ অবস্থায় হাম প্রকোষ্ঠের ইনচার্জ নার্স চম্পা রাজবংশীর সহযোগিতা চাওয়া হলে তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্যস্ত ছিলেন। পরে রোগীর বেডে গিয়ে স্যালাইন খুলে দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তিনি রোগীকে তার ডেস্কে নিয়ে আসতে বলেন।

অভিযোগকারী দাবি করেন, বারবার অনুরোধের পরও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না দিয়ে ওই নার্স মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি রোগীর স্বজনদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে হাসপাতালের এক সহকারী কর্মচারীর সহযোগিতায় শিশুটির স্যালাইন খুলে নেওয়া হয়। এ সময় অভিযুক্ত নার্স রোগীর স্বজনদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে নার্স চম্পা রাজবংশীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল ইসলাম সরকার বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নার্সকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তার জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


শেয়ার করুন