নিহত তোফাজ্জল মিয়া উপজেলার করাব গ্রামের নয়া বাড়ির মো. সোনাই মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে বাড়ির পাশের হাওরে নিজের জমিতে পানি সেচ দিতে যান তোফাজ্জল। সেখানে কাজ করার সময় একটি বিষধর সাপ তাকে দংশন করে। তবে রাতের অন্ধকারে প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তিনি। পরে বাড়িতে ফিরে অসুস্থতা অনুভব করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় এক পল্লিচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। ওই চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে প্রাথমিকভাবে নাপা ও প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ সেবন করানো হয়।
কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে সাপের দংশনের বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
পরে সিলেটে নেওয়ার পথে শনিবার ভোরে তোফাজ্জল মিয়ার মৃত্যু হয়।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
