বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে উত্তাপ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তিনি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন— কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব নয়, বরং সরকারি কর্মচারী হিসেবে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, কাউকে তোষামোদ বা তেল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। দেশ ও জনগণের স্বার্থেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। এবারের নির্বাচন বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সম্প্রতি শেরপুরে নির্বাচনী সংঘাতের জেরে প্রাণহানির ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কিছুটা সময় লাগলেও কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ভাইয়ে ভাইয়ে বা অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে নির্বাচনের দিন এমন পরিস্থিতি এড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে মেডিকেল টিম ও ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি কোনো আতঙ্কের বিষয় নয়, বরং সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ।তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীসহ সব নিরাপত্তা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।
দৈনিক হবিগঞ্জের আয়না/আপন
