কৃষকরা জানান, এবারের একটানা ১৫ দিন শৈত্য প্রবাহ থাকার কারণে বেশকিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকলে থাকায় গাছের বৃদ্ধি সন্তোষজনক। আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা বাজার জাত করতে পারবো। এবং দ্বিতীয় চালানে যেগুলো চারা রোপন করা হয়েছে সেগুলো পুরো রমজানে বাজারে বিক্রি করা যাবে। ভালো ফলন আর আবহাওয়া সন্তোষজনক হলেও কালবৈশাখী ঝড় ও অতিবৃষ্টির আশঙ্কায় নিয়মিত জমির দেখভাল করতে হচ্ছে।
নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তিস্তার চরাঞ্চলে প্রতি বিঘায় গড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার তরমুজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাজারদর অনুকুলে থাকলে চরাঞ্চলের কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কৃষি বিভাগ আরও জানায়, চরাঞ্চলের কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কৃষি অধিদপ্তরের ডিমলা উপজেলা কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, তিস্তার চরে আমাদের তিনজন কৃষকের মাধ্যমে সেনভার পদ্ধতিতে প্রায় ২৫জন কৃষক ৩০০ বিঘা জমিতে চাষ করছে। প্রতি কেজি তরমুজ ৬০-৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবে প্রতি পিছ তরমুজের ওজন ৬/৭ কেজি পর্যন্ত। শুরু থেকে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ছিল এবং আছে। তবে বর্তমানে চরের মূল সমস্যা হলো ইরিগেশন তবে আগামী সপ্তাহের আমরা এই কৃষকদের মাঝে ডিজেল চালিত পাম্প ও লতা পাইব বিতরণ করবো। আগামীতে আমরা ১০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ লাগাতে সক্ষম হবো।
কৃষকদের প্রত্যাশা, এবছর তরমুজের ভালো ফলন হলে নীলফামারীর তিস্তার চরাঞ্চলে জীবিকা ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
দৈনিক হবিগঞ্জের আয়না/আপন
