জানা যায়, মোশাহিদ মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এ কারণে তিনি প্রায়ই হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যেতেন এবং কিছুদিন পর পুনরায় বাড়িতে ফিরে আসতেন। তবে এবার প্রায় চারদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পরও তিনি ফিরে না আসায় পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন চরম উদ্বেগে ছিলেন।
গতকাল (২০ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটের সময় স্থানীয়রা মোশাহিদ মিয়ার নিজ গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বাড়ির পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের একটি বড় গাছের ডালে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে নবীগঞ্জ থানাকে অবগত করা হলে এসআই শাহরিয়ার আহমেদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি গাছ থেকে নামান।
পরবর্তীতে মোশাহিদ মিয়ার পরিবার মরদেহটি তার বলে শনাক্ত করে। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং ধারণা করছে, তিনি তিন থেকে চার দিন আগে মারা গেছেন। মরদেহে পচন ধরায় আশপাশের পরিবেশ দুর্গন্ধে ভরে যায়। পরে মরদেহটি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে হতাশ থাকায় তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। সাবেক ইউপি সদস্য ইসাক মিয়া ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ নেই।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোনায়েম মিয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
