অভিযানকালে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন র্যাব-৯, সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ) এর ডিএডি শাহ আলমের নেতৃত্বে র্যাব সদস্যরা, হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী এবং নবীগঞ্জ থানার এসআই মইনুল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের দক্ষ ল্যাব টেকনিশিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শেখ আব্দুল আলীসহ অন্যান্যরা। বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সূত্রে জানা যায়, ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শিল্পনগরী ধুলিয়াখাল এলাকায় অবস্থিত মেসার্স আসাদ ফুড প্রোডাক্টস, রাজদ্বীপ (সুরুচি ফুড), মেসার্স আসাদ ফুড, জেমস স্পোর্টস, আমেনা বেকারি এবং হবিগঞ্জ মহানপুর এলাকার আলম ফুড গার্ডেন বেকারি অ্যান্ড সুইটস-এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অপরদিকে ৩১ জানুয়ারি শনিবার নবীগঞ্জ উপজেলার মাইশা ফুড, ভিআইপি বেকারি, শেখ আলীশা ফুড এবং বিসমিল্লাহ ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিস্কুট, মিষ্টি, জিলাপি, কেক, বনরুটি ও পাউরুটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়াও কুকিং তেল পুনরায় পোড়ানো, শ্রমিকদের হাতে গ্লাভস ও মাথায় ক্যাপ ব্যবহার না করা, উৎপাদিত খাদ্যপণ্যে সঠিক লেবেল না থাকা, চিনির পরিবর্তে স্যাকারিন ব্যবহার, নন-ফুড গ্রেড রং ও আয়োডিনবিহীন লবণ ব্যবহারের মতো গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
দৈনিক হবিগঞ্জের আয়না/আপন
