বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে আসলেও সরকার কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আমলে নিচ্ছে না। গত ৫ ডিসেম্বর লক্ষাধিক কর্মচারীর অংশগ্রহণে মহাসমাবেশের পর ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আশ্বাস মিললেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ২১ জানুয়ারি কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ করছেন। পাশাপাশি জ্বালানি উপদেষ্টার এক বক্তব্যে ‘বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন স্তিমিত রাখতে কমিশন গঠন করা হয়েছিল’—এমন মন্তব্যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।
চাকরিজীবীদের সাত দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০১৫ সালের পে-স্কেলের গেজেটে বাতিল হওয়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা সংরক্ষণ, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচুইটির পাশাপাশি পেনশন চালু এবং গ্রাচুইটির হার ৯০ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ।
এছাড়াও জানা গেছে, সারাদেশে আন্দোলনরত সরকারি চাকরিজীবীরা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ কর্মসূচি পালন করবেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ আল আমিন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের পক্ষে নুরুল আমীন এবং কালেক্টর কর্মচারী ক্লাবের সভাপতি কাজল দাশ।
দৈনিক হবিগঞ্জের আয়না/আপন
