হবিগঞ্জের ইনিংসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন মিডলওয়ার্ডারের জাহিদুল হক। এছাড়াও হবিগঞ্জের তানভীরুজ্জামান ৪০, তানভীর হোসেন ২৬, বরকত ২০, অধিনায়ক সাহিদুর রহমান ১২, এমরান মিয়া করেন ১৮ রান। জয় সিংহ মোস্তাকিম মিয়া শূন্য রানে আউট হন। ৪৮.৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে হবিগঞ্জ জেলা দল সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৩৯ রান। পাহাড়সম ৩৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১২.৫ ওভারে অলআউট হয় রাঙামাটি। তখন পাহাড়ি জেলা রাঙামাটির সংগ্রহ মাত্র ৩৭ রান। আর এতে হবিগঞ্জ জেলা জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩০২ রানে জয়লাভ করে। হবিগঞ্জের বোলার এমরান মিয়া রাঙামাটির প্রথম ৬ ব্যাটারকে আউট করেন। এই বোলার ম্যাচে ৭ উইকেট নেন। বাকী তিনটি উইকেট নেন তানভীর হোসেন। রাঙামাটির হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার ভাস্কর খীসা। বাকী কেউ পাঁচের কোটা ছাড়াতে পারেননি। হবিগঞ্জের বোলারদের তাণ্ডবে রাঙামাটির ৫ ব্যাটারকে শূন্য রানে ফিরতে হয়। এর আগে রাঙামাটির পক্ষে রাশেদুল ইসলাম শান্ত ৭৫ রানে চারটি, সাজ্জাদ ৫২ রানে তিনটি ও মোবারক হোসেন লেমন ৫১ রানে একটি করে উইকেট নেন।
দলের ম্যানেজার ও কোচের দায়িত্বে আছেন জেলা টিমের সাবেক দুই অধিনায়ক যথাক্রমে ইব্রাহিম খলিল সোহেল ও রিন্টু রায়। টায়ার-২ চ্যাম্পিয়ন হয়ে টায়ার-১ এ ফিরতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ম্যানেজার ইব্রাহিম খলিল সোহেল।
তিনি বলেন- আজ আমরা জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে রেকর্ড রানে জয়লাভ করেছি। বিষয়টি খুবই আনন্দের। কারণ গতবারের স্মৃতি এখনো আমাকে কষ্ট দেয়। গতবার টায়ার-১ এর খেলায় টাঙ্গাইল জেলার কাছে মাত্র ২ রানে হেরে আমাদের অবনমন হয়েছিল। এবার ‘ই’ গ্রুপের সবকটি ম্যাচ জিতে হবিগঞ্জ জেলা দল টায়ার-১ উন্নীত হল। সকল খেলোয়াড় কোচ ও কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় আমরা লক্ষে পৌঁছুতে পারলাম।
