দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপোষ করা হবে না-হুইপ জি কে গউছ

জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপোষ করা হবে না। প্রশাসনের কেউ যদি মনে করেন দুর্নীতি করে পার পেয়ে যাবেন, সেটি তার ভুল ধারণা। খাল পুনঃখননের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ কাজে কোনো ধরণের অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে খাল খনন করা হলে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং মাছ চাষেরও ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হবে। পাশাপাশি খালের পাড়ে ২৫কোটি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।  চুনারুঘাটে বুচিনালা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনে এ কথা বলেন তিনি। দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের বুচিনালা খাল এলাকায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কাজের উদ্বোধন করেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছ। হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল। 

সভায় উপস্থিত ছিলেন, চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, বিএডিসি নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুল হক, সহকারী প্রকৌশলী এ.এম. রাকিবুল হক, চুনারুঘাট অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ দাশ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক পৌর মেয়র নাজিম উদ্দিন সামছু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ আলীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক সহ আরও অনেকে।

হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, সরকারি অনুদান ও বরাদ্দ স্বচ্ছতার সঙ্গে জনগণের মাঝে বণ্টন করা হবে। ঈদ উপলক্ষে পাওয়া বরাদ্দ দুই উপজেলায় সমানভাবে বিতরণ করা হবে। তিনি চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলায় দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। জানা গেছে, আজিমাবাদ ও দেওরগাছ মৌজায় অবস্থিত বুচিনালা খালটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২ দশমিক ১০ কিলোমিটার। খোয়াই নদী থেকে শুরু হয়ে খালটি আজিমাবাদ হাওরে গিয়ে শেষ হয়েছে। প্রায় ২৭ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ে খালটি পুনঃখনন করা হবে।

খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে প্রায় ১৫০ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে এবং প্রায় ৭৬০ জন কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন বলে বিএডিসি'র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


শেয়ার করুন