প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্যাতনের ধরন ছিল অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অপমানজনক। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ভিডিওতে শ্রমিকদের আর্তনাদও স্পষ্ট শোনা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন দেখা দেয়।
স্থানীয় শ্রমিকদের দাবি, অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা এর আগেও একাধিক শ্রমিককে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন। তবে চাকরি হারানোর ভয়ে এতদিন কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি সামনে এসেছে।
সচেতন মহলের মতে, কোনো শ্রমিক যদি অপরাধ করে থাকেন, তবে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে এভাবে শ্রমিককে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
এ বিষয়ে প্রাণ কোম্পানির এডমিন সুমন আহমেদকে একাধিকবার কল দেয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। যে কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
.png)