খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ পর্যন্ত মোট ৬ জন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে ১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার সরেজমিনে লাখাই ৫০ শয্যা হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি। হাসপাতালে ৫০ শয্যার বিপরীতে মোট ৫৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে নারী ২৫ জন, পুরুষ ১৩ জন, গর্ভবতী ২ জন এবং শিশু রোগী ১৭ জন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৫ জন হাম আক্রান্ত।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনরা জানান, চিকিৎসা সেবা সন্তোষজনক হলেও বেড সংকটের কারণে অনেককে ফ্লোরে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আব্দুল্লাহ আল মোক্তাদির জানান, হাম রোগীদের জন্য আলাদা আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। আক্রান্তদের নিরাপদে চিকিৎসা দিতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী শামসুল আরেফীন বলেন, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করা হচ্ছে। তিনি জানান, গত শনিবার ৩৫০ ডোজ টিকা ও ৩৫০টি ভিটামিন ক্যাপসুল পাওয়া গেছে এবং শিগগিরই আরও টিকা সরবরাহ করা হবে।
তিনি আরও জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে ৩ জন হাম রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার মহাখালী আইপিএইচ-এ পাঠানো হয়েছে।
আগামী ৩ মে থেকে হবিগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলায় হাম প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
