হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা করে ৪ বেডের একটি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং সংক্রমণ রোধে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, ভর্তি হওয়া দুই শিশুর অবস্থা বর্তমানে ভালো রয়েছে। এর আগে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকেও এক রোগী এসেছিল, তাকে চিকিৎসা দিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, উপসর্গের নমুনা ঢাকার মহাখালী ল্যাবে পাঠানো হয়েছে এবং নমুনা প্রাপ্তির ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই রিপোর্ট পাওয়া যাবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া দুজনই শিশু। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এটি ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় তাদের আলাদা কক্ষে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হামের লক্ষণ যেমন জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, কাশি বা সর্দি দেখা দিলে অভিভাবকদের দেরি না করে দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলেও জানান তারা।
