স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় পাথর-বালির মিশ্রণ বিছানো ও রোলার দিয়ে চাপ দেওয়া হলেও রাতের আঁধারে কার্পেটিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে রাতেই বিটুমিন ঢালাই ও কার্পেটিংয়ের কাজ করতে দেখা গেছে। এছাড়া, অনেক স্থানে পুরনো কার্পেটের ওপর নতুন প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে, যা টেকসই হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কের বিভিন্ন অংশে নতুন কার্পেটিংয়ে ফাটল ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও তাৎক্ষণিকভাবে জোড়াতালি দিয়ে মেরামতের চেষ্টা করা হচ্ছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩২ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্পের আওতায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের সংস্কারকাজ চলছে, যার দায়িত্ব পেয়েছে টিবিএল নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এর আগে ২০১৭ সালে ১১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সড়কটি নির্মাণ করেছিল।
তবে দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এটি বেহাল হয়ে পড়ে এবং একসময় এটি দুর্ঘটনাপ্রবণ ও জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়। প্রকল্পের ইস্টিমেট অনুযায়ী, সড়কে ৪০ মিলিমিটার পুরু কার্পেটিং করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অংশে ৫০ মিলিমিটার পুরুত্ব রাখা হবে।
এই সংস্কারকাজের জন্য তিন বছরের দায়ভার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ওপর বর্তাবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তা ঠিকাদারকেই নিজ খরচে মেরামত করতে হবে।
এ বিষয়ে সংস্কার কাজের সুপারভাইজার আমিনুল ইসলাম জানান, ভারি বৃষ্টির কারণে সড়কের পাশের মাটি সরে গেছে, যা পুনরায় ভরাট করা হচ্ছে। এছাড়া অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণেও কিছু স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, যেসব স্থানে সমস্যা হচ্ছে, সেসব জায়গায় পুনরায় কাজ করা হবে।
