আজমিরীগঞ্জ উপজেলার এক ক্ষুদ্র খামারি জানান, কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে তিনি কয়েকটি ষাঁড় লালন-পালন করেছিলেন। কিন্তু গভীর রাতে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে একটি গরু চুরি হয়ে যায়। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।
নবীগঞ্জ উপজেলার এক গৃহস্থ বলেন, কয়েক বছর ধরে গরু পালন করে সংসারের বাড়তি আয় করছিলাম। এখন চোরের আতঙ্কে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছি না।
খামারিরা জানান, দেশীয় গরুর চাহিদা বাড়ায় জেলার অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক, প্রবাসফেরত তরুণ ও নিম্ন আয়ের পরিবার ঋণ নিয়ে ছোট ছোট খামার গড়ে তুলেছেন। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত থাকলেও সাম্প্রতিক চুরির ঘটনায় তাদের স্বপ্নে ধাক্কা লেগেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংঘবদ্ধ চোরচক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকলেও অধিকাংশ ঘটনায় চুরি হওয়া গরু উদ্ধার সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চোরদের দৌরাত্ম্য আরও বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, গরু চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন পয়েন্টে টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহভাজন কয়েকটি চক্রকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
