সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের কালিবাড়ি আশরাফ জাহান মোড়, শ্মশানঘাটের মোড় ও আমির চাঁন এলাকার রাস্তার মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কোনো ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়নি। ফলে যত্রতত্র টমটম ও অটোরিকশা দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হচ্ছে। এতে মুহূর্তেই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও নেই কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। অধিকাংশ টমটম ও অটোরিকশা চালকদের নেই ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা। অনেক চালক অপ্রাপ্তবয়স্ক বলেও অভিযোগ রয়েছে। তারা রাস্তার মাঝখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, অফিস ও স্কুল-কলেজ ছুটির সময়ে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে হাঁটাচলাই কঠিন হয়ে পড়ে। অল্প দূরত্ব অতিক্রম করতে সময় লাগে দীর্ঘক্ষণ। অ্যাম্বুলেন্স কিংবা জরুরি সেবার যানবাহনও যানজটে আটকে পড়ছে। শহরের শ্মশানঘাট এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, “আগে মাঝে মাঝে যানজট হতো, এখন প্রায় সারাদিনই একই অবস্থা। ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় চালকরা যার যার মতো গাড়ি চালাচ্ছে।” আরেক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তার মোড়ে যদি ট্রাফিক পুলিশ থাকতো, তাহলে অন্তত কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরতো। এখন পুরো শহর যেন অঘোষিত স্ট্যান্ডে পরিণত হয়েছে।” সচেতন মহল বলছে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হবিগঞ্জ শহরের যানজট পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তারা অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে চলাচলকারী টমটম-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ব্যবস্থা চালু এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শহরবাসী।
