আজমিরীগঞ্জে শিশু সামিরুন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর কুশিয়ারা নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ১২ বছর বয়সী শিশু সামিরুন আক্তারের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আলোচিত এ হত্যা মামলায় এক কিশোরকে আইনের হেফাজতে নিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পিবিআই জানায়, গত ৩০ মার্চ বিকেলে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পূর্বপিটুয়ারকান্দি গ্রামে বড় বোনের বাড়ি থেকে পুরাতন বাড়িতে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সামিরুন। পরে ১ এপ্রিল দুপুরে খুশিয়ারা নদী থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বড় বোন তৃষা আক্তার বাদী হয়ে আজমিরীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশ এক মাস তদন্ত করেও ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় গত ২ মে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই হবিগঞ্জ জেলা। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং স্থানীয় সূত্র বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের শিবপাশা এলাকা থেকে শিশু শিরাফ আহমদ ওরফে আবুনী (১৫) নামের এক কিশোরকে আইনের হেফাজতে নেয় পিবিআই। পরে তাকে হবিগঞ্জের শিশু আদালতে সোপর্দ করা হয়। পিবিআই জানিয়েছে, তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সামিরুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গোপনের উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আটক কিশোরের ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।


শেয়ার করুন