প্রকল্পের আওতায় দেউন্দি চা বাগানে বসুন্ধরা ব্রিজের গাইড ওয়াল নির্মাণে ২ লাখ টাকা এবং ব্রজানন্দ মন্দির লাইনের রাস্তার দুটি কালভার্ট নির্মাণে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চান্দপুর চা বাগানে চান্দপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে চান্দপুর বাজার পর্যন্ত দুই পাশে পাকা ড্রেন নির্মাণে ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া রামগঙ্গা চা বাগানের দুর্গা মন্দিরের পেছনে পাকা ড্রেন নির্মাণে ৪ লাখ টাকা, চাকলাপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি নির্মাণে ২ লাখ টাকা, লালচান্দ চা বাগানের উচ্চ বিদ্যালয়ের সড়কে ইট সলিংয়ের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। একইভাবে নাসিনাবাদ চা বাগানের অফিস সড়ক থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত ইট সলিংয়ের জন্য ২ লাখ টাকা এবং লস্করপুর দুর্গা মন্দির চৌমুহনা থেকে অনিল কালিন্দীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার ইট সলিংয়ের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
চা বাগানের শ্রমিক রঞ্জিত কালিন্দী বলেন, সৈয়দ শাফকাত আহমেদ ব্যক্তিগত অর্থায়নে আমাদের পানির সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করেছেন। মন্দির উন্নয়ন করেছেন এবং বাগানের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস দিয়েছেন। আগে অনেক কষ্ট ছিল, এখন মনে হচ্ছে আমাদের কথাও গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে। ?সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা শ্রমিকরা এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জনগোষ্ঠী। তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রয়োজনগুলো বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শুধু অবকাঠামো নয়, শ্রমিক পরিবারের জীবনমান উন্নয়নেও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
