তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন দৌলতপুর, মথুরাপুর, ফাদুল্লাহ, গালিমপুর ও মাধবপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন। এলাকাটিতে স্কুল, মাদরাসাসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচলেও চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সেতু নির্মাণের পাশাপাশি সড়কটিও দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। সঈদপুর বাজার থেকে সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের দীঘলবাক ইউনিয়নের সাইনবোর্ড বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হলেও মথুরাপুর পর্যন্ত আরও প্রায় ১ কিলোমিটার অংশ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে। এছাড়া নির্মিত পাকা সড়কের বিভিন্ন স্থানেও বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে শেরখাই নদীর তীরে দৌলতপুর বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এ অঞ্চলে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস এবং প্রতিদিন হাজারো মানুষ এ পথ ব্যবহার করেন। বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।
এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুর রউফ, প্রবাসী আব্দুল মতিন, সমাজকর্মী আরজু মিয়া, আবুল হোসেন ও স্বপন আহমেদসহ অনেকেই বলেন, “বর্তমান যুগের বাস্তবতায় এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু কোনোভাবেই উপযোগী নয়। ভাঙা সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত নতুন একটি আধুনিক সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।” এ বিষয়ে হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
