স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আদিত্যপুর গ্রামের আক্তার মিয়া ও আব্দাফৌজদা গ্রামের সারু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের রাস্তা ও জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিরোধকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও সন্ধ্যার পর বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার এলাকায় পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় গুরুতর আহত সেলু মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সেলু মিয়া আদিত্যপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম প্রাথমিক সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে পরবর্তীতে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার বিষয়ে তার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
