স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি জুয়েল মেম্বারের ভাই সোহেল বাবু বৈষম্য বিরোধী মামলা গ্রেপ্তার হয়। এতে ম্যানেজার সেলিমের সহযোগিতায় জেল থেকে বেরিয়ে আসে। খুলনায় একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে এক সময় এনটিসি চেয়ারম্যান শেখ কবিরের পি এস এর সাথে সেলিমের ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে সেলিম প্রভাব বিস্তার করতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও চন্ডীছড়া চা-বাগান থেকে রাতের আঁধারে বাগান থেকে গাছ চুরি করে দূর্বৃত্তরা। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে চা উৎপাদন ও পরিবেশের ওপর। একই সঙ্গে বাগানের সিলিকা বালু উত্তোলন ও বাগানের জায়গায় দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ দোকানপাঠ। এর সাথে জড়িত রয়েছেন বাগানের অসাধু কর্মকর্তরা। বিশেষ করে বাগানের ম্যানেজার সেলিমুর রহমান জড়িত রয়েছেন বলে দেখা দেয় সন্দেহের তীর। অভিযোগ উঠে, বাগানের ম্যানেজার সেলিমুর রহমানের সম্পৃক্ততায় প্রভাবশালীরা বাগানের জায়গায় দোকানপাট নির্মাণ করেছেন। একই সঙ্গে তার সম্পৃক্ততায় রামগঙ্গা এলাকার ব্রীজের দুই পাশে সংস্কারে বাগানের সিলিকা বালু ব্যবহার করে ব্লক তৈরী করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাগানের টিলার উপরে প্রায়ই মাদক বিক্রি হয়। তার অবহেলা ও খামখেয়ালীতে রাতের আধারে গাছ পাচার করছে গাছ চোর চক্র। রামগঙ্গা চা-বাগানের টিলাভূমির বড় দুই শতাধিক গাছ কেটে উজাড় করা হয়েছে। এমনকি ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের পাশ থেকে আকাশি, রেইন ট্রি, বেলজিয়ামসহ মূল্যবান গাছ কেটে চোরেরা ট্রাক্টর, ট্রলি ও ঠেলাগাড়িতে বিভিন্ন স্থানে পাচার করে প্রকাশ্যেই। গত কয়েক মাসে শতাধিক গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বাগানে যোগ দেয়ার পূর্বে তিনি সহকারী ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে তিনি চন্ডী বাগানে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। বাগানের সিলিকা বালু উত্তোলন, বাগানের জায়গায় অবৈধ দোকানপাঠ নির্মান, পরীর বিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যে গাছ পাচার হলেও নিরব ভূমিকা পালন করছেন তিনি।
