তিনি জানান, শত শত বছর ধরে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী যেমন— তরবারি, খরম, জায়নামাজ, পাতিলসহ অন্যান্য নিদর্শন বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এবং কিছু ব্যক্তির কাছে ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষিত আছে। ফলে মাজারে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীরা এসব ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জনস্বার্থে দায়ের করা রিটে ১৯৬৮ সালের অ্যান্টিকুইটিজ অ্যাক্টের বিধান উল্লেখ করে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন সরকারিভাবে তালিকাভুক্ত (ইনভেন্টরি) করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে জানতে চেয়েছে, কেন হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর ব্যবহৃত সামগ্রীগুলো ১৯৬৮ সালের আইন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত করে সংরক্ষণ করা হবে না এবং কেন এ বিষয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হবে না। এ ছাড়া আদালত অন্তর্র্বতীকালীন আদেশে বলেছেন, বর্তমানে যাদের কাছে এসব সামগ্রী রয়েছে, তারা যেন সেগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করেন এবং কোনো অবস্থাতেই সেগুলো স্থানান্তর বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর না করেন।
হযরত শাহজালাল (রহ.) ব্যবহৃত সামগ্রী জাদুঘরে সংরক্ষণের নির্দেশ
প্রকাশিত হয়েছেঃ Saturday, March 07, 2026
সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার শরিফে থাকা শত বছরের পুরোনো ও ঐতিহাসিক মূল্যবান জিনিসপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং জাদুঘর প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসব সামগ্রী বর্তমান অবস্থা থেকে স্থানান্তর বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। এর আগে মাজারে আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে হযরত শাহজালাল (রহ.)–এর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক সামগ্রী সংরক্ষণের জন্য মাজার প্রাঙ্গণে একটি জাদুঘর স্থাপনের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন দরগাহ এলাকার বাসিন্দা এক আইনজীবী।
খবর বিভাগঃ
সমগ্র
