দোকানে চাল লুকিয়ে রাখার বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন সোহেল মিয়া। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বহরা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদ মিয়া তার ছেলে ও গ্রাম পুলিশের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে প্রতিবাদকারী সোহেল মিয়াকে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে নিয়ে মারধর করেন।
ভুক্তভোগী সোহেল মিয়া বলেন, চাল পাচারের বিষয়টি আমি ধরিয়ে দিয়েছিলাম। এজন্য আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
তবে প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদ মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সে পাগল, অযথা অভিযোগ করে। তাকে শুধু শাসন করা হয়েছে। স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা সাবানা চৌধুরী বলেন, আমি ঘটনাটি দেখেছি। এভাবে একজন অসহায় মানুষকে মারধর করা মানবাধিকারের পরিপন্থী। এ ঘটনার বিচার হওয়া উচিত।
চাল বিতরণের তদারকি কর্মকর্তা তুষার পাল বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাসেম বলেন, ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
