উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নদী ও বিল শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো ধানের জমিতে সেচ দিতে ব্যাপকভাবে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, গ্রামে গ্রামে বোরো ধানের জন্য বসানো শক্তিশালী সেচ প্রকল্পগুলো মাটির নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ পানি টেনে নিচ্ছে। এতে করে গ্রামের সাধারণ টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, “গ্রামের প্রায় সব টিউবওয়েলেই এখন পানি ওঠে না। যাদের গভীর নলকূপ আছে, তাদের বাড়িতে কিছুটা পানি পাওয়া যায়।”
সচেতন মহল মনে করছেন “জেলার অনেক নদী, খাল ও বিল ভরাট হয়ে গেছে। এসব জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষিজমিতে সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে হচ্ছে। ফলে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে এবং এ সংকট তৈরি হয়েছে।”
এদিকে শুধু গ্রাম নয়, হবিগঞ্জ শহরেও পানির সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। অনেক এলাকায় টিউবওয়েল বা মোটর দিয়েও পানি তোলা যাচ্ছে না। এতে করে পবিত্র রমজান মাসে শহরের বাসিন্দারাও বিশুদ্ধ পানির জন্য চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানির উৎস সংরক্ষণ ও বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
