এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতায় এসব অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ফলে প্রশাসনের চোখের সামনেই প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন হলেও কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইজারা বহিভূত স্থান থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং ভাঙন ঝুঁকি বাড়ছে। এতে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। এদিকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে রবিদাসপাড়ায় খোয়াই নদীর অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, বৈধ ইজারাদাররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা বলছেন, সরকার নির্ধারিত নিয়ম মেনে ইজারা গ্রহণ করে বালু উত্তোলন করতে হলেও অবৈধ উত্তোলনের কারণে বাজারে প্রতিযোগিতা অসম হয়ে পড়েছে। এতে তারা আর্থিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু বিক্রি হচ্ছে, যার কোনো রাজস্ব সরকার পাচ্ছে না। ফলে রাষ্ট্র যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি পরিবেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিয়াউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান- প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এলাকাবাসী দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
