লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসায়ীরাও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিদ্যুৎনির্ভর দোকানপাট, ফ্রিজ, কোল্ড স্টোরেজ ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি বন্ধ থাকায় পণ্যের ক্ষতি হচ্ছে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার পর দোকানপাট বন্ধ করেও লোডশেডিং কমানো যাচ্ছে না।
এদিকে চলতি মাসের ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা এবং আগামী ২ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ করছেন তারা। বিশেষ করে রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষার্থীরা প্রস্তুতিতে পিছিয়ে পড়ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পিডিবি বলছে হবিগঞ্জে বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ মেগাওয়াট। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে ৫-৬ মেগাওয়াট। যে কারণে এমনটা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদন না বাড়লে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে গেলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও বেশিরভাগ সময় সাড়া পাওয়া যায় না। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হবিগঞ্জে বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব শিক্ষা ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদে পড়বে।
