সৈয়দ ওবায়দুল হকের পুত্র মৃত সৈয়দ আব্দুল হাই ৭১ সালের যুদ্ধে এবং ২০০৪ সালে সৈয়দ আব্দুল কদ্দুছ মৃত্যুবরণ করেন। ৪ ভাইয়ের মধ্যে ২ ভাই মারা যাওয়ার পর সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদ নিজের অংশে বেশি জমি রেখে নিজের মনগড়ামতো মৌখিকভাবে অন্য ভাইদের মধ্যে সম্পত্তি বন্টন করেন। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয় এবং যা নিয়ে ২০১৭ সালে মৃত সৈয়দ আব্দুল কদ্দুছের ওয়ারিশানগণ হবিগঞ্জ জেলা যুগ্ম জজ-১ আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন। এক পর্যায়ে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করেন। এছাড়াও পারিবারিকভাবেও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আব্দুল হাই যার কোনো ছেলে সন্তান নেই, তার কন্যা গত রমজানে বারবার বাঁধা দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি।
বন্টন মামলা চলাকালীন ও ১৪৪ ধারার মাঝেও সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদের ওয়ারিশানগণ তা না মেনে উল্লেখিত জমি জোরেবলে দখলের পায়তারা করে চলেছেন। এদিকে গতকাল ১৭ এপ্রিল সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদের ওয়ারিশানগণ উক্ত ভূমি দখলে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে। এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে এসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম খোকন ঘটনাস্থলে গিয়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে সদর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। একটি পক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে পরিদর্শনে যাই এবং যারা স্থাপনা নির্মাণের প্রক্রিয়া করেন তাদেরকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে আসি। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং উভয়পক্ষকে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছি।
