প্রশিক্ষণ চলাকালে তিনি আধুনিক কোচিং পদ্ধতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন কৌশল, স্পোর্টস সায়েন্স, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, বিকেএসপি থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের উশু অঙ্গনের উন্নয়ন এবং নতুন প্রজন্মের দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিতে কাজে লাগাতে চান।
বর্তমানে তিনি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে উশু কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ে উশু খেলার সঙ্গে সম্পৃক্ত আশরাফুলের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়রা ইতোমধ্যে বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় দুটি স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য আরও দক্ষ খেলোয়াড় গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গালিব চৌধুরী উপজেলার মার্শাল আর্টের উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে উপজেলা মার্শাল আর্ট টিমের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সামগ্রী প্রদান করেছেন। এ উদ্যোগে খেলোয়াড়দের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ইউএনওর আন্তরিক সহযোগিতা খেলোয়াড়দের অনুশীলনের মান আরও উন্নত করবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনে সহায়ক হবে।
তিনি এই অর্জনের জন্য বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর মহাপরিচালক, পরিচালক, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে উশু ইভেন্টের প্রধান প্রশিক্ষক মোহাম্মাদ রেজাউর রহমান (রাজু), সিনিয়র প্রশিক্ষক সৈয়দ হেদায়াতুজ্জামান (চঞ্চল), এ.কে.এম. আনোয়ার জাহিদ (শিশির) এবং বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, "বিকেএসপি শুধু একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নয়, এটি দেশের ক্রীড়াবিদ ও কোচ তৈরির সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানের উশু খেলোয়াড় তৈরি করতে চাই।"
ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেছেন, আশরাফুল ইসলাম চৌধুরীর এই অর্জন হবিগঞ্জসহ দেশের তরুণ ক্রীড়াবিদদের উশু খেলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং এ খেলার প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
