তিনি আরও বলেন, “যদি পর্যাপ্ত স্পন্সরশিপ ও সহযোগিতা পাওয়া যায়, তাহলে বাংলাদেশের মার্শাল আর্টকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।” জানা গেছে, মালয়েশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ড. আহমেদ জাহিদ বিন হামিদ এই আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপে উপস্থিত ছিলেন। এশিয়ার ১৬টি দেশের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি ২৫ জুন শুরু হয়ে ২৯ জুন সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে শেষ হবে। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে মো. ইমরান মিয়া ইন্দোনেশিয়ার প্রতিযোগীকে পরাজিত করে তাম্র পদক (ব্রোঞ্জ মেডেল) অর্জন করেন। অন্যদিকে আফফান মাহমুদ ধ্রুব চতুর্থ স্থান অর্জন করেন, যা বাংলাদেশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
প্রতিযোগিতা চলাকালে বাংলাদেশ দলের খেলা দেখতে ও সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত হন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ম্যানেজার আতিকুর রহমান। তিনি খেলোয়াড়দের শুভকামনা জানান এবং বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া যাত্রার সময় দলের সদস্যদের জন্য ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে ভিআইপি আসনের ব্যবস্থা করে আন্তরিকতার পরিচয় দেন।
দলের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়া মার্শাল আর্ট ফেডারেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। ফেডারেশনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের মাধ্যমেই বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক এই মর্যাদাপূর্ণ আসরে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন দেশবাসীর কাছে দলের জন্য দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এই একাডেমির খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা আরও গৌরবান্বিত করবে এবং দেশের জন্য আরও সাফল্য বয়ে আনবে।
