মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা, ভাইসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চাকরির সুবাদে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কুমিল্লায় বসবাস করছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি সেখানে ইন্তেকাল করেন।
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে হবিগঞ্জের সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
জানা যায়, এম.এ. হাকিম সানু নব্বইয়ের দশক থেকে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি প্রথমে মরহুম মোহাম্মদ শাবান মিয়ার সম্পাদনায় প্রকাশিত হবিগঞ্জ জেলার প্রথম সংবাদপত্র সাপ্তাহিক স্বাধিকার-এ কাজ করেন। পরবর্তীতে প্রতিদিনের বাণী পত্রিকায় সিনিয়র রিপোর্টার এবং পরে হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২০১০ সালের দিকে তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি নিয়ে চট্টগ্রামে যোগ দেন। পরবর্তীতে তাঁর স্ত্রীর কর্মস্থলের কারণে পরিবারসহ কুমিল্লায় বসবাস শুরু করেন। তাঁর স্ত্রী একটি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁর গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার চর নূর আহমদ গ্রামের মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এদিকে, এম.এ. হাকিম সানুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হবিগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বাহুবল মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাজিদুর রহমান। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, "এম.এ. হাকিম সানু হবিগঞ্জের সাংবাদিকতা জগতের একজন নিষ্ঠাবান কর্মী ছিলেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর মৃত্যু সাংবাদিক সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।"
তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
